০১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোল পাল্টে দুর্নীতির রাজত্ব

বিএনপির নেতার নাম ভাঙিয়ে গণপূর্তের শফিউলের ঘুষ বাণিজ্য!

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

গণপূর্ত সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আস্থাভাজন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত পতিত লীগ সরকারের আমলে ৭ নং ওয়ার্ড তেজকুনিপাড়া ও তেজগাঁও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ‘মা এন্টারপ্রাইজ’ এর মালিক জামাল হোসেন এখন বহাল তবিয়তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গণপূর্ত সম্পদ বিভাগে।

তাঁর প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম।

সূত্রে জানা যায়, গণপূর্ত সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করার পর তাঁর নেতৃত্বে এক সুবিশাল সিন্ডিকেট বাহিনী গড়ে উঠেছে। লীগের দোসর কথিত ঠিকাদারদের সাথে গোপনে আঁতাত করে ত্রুটিপূর্ণ কাজ এবং কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে পরিচিত সহকারী প্রকৌশলী ও স্টাফ অফিসার শরিফুল ইসলাম এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুশান্ত দত্ত। এই তিন কর্মকর্তার নিকট সাধারণ ঠিকাদারগণ জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

পতিত সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা এই নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম এখনো বহাল তবিয়তে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর দেশের বাড়ি পাবনাতে হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দাপটে তিনি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন।

এখন আবার ভোল পাল্টে তিনি নিজেকে বিএনপি-পন্থী দাবি করছেন এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শিমুল বিশ্বাসের নাম ভাঙিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। রাজধানী ধানমন্ডিতে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট ক্রয় করে সেখানে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন।

এলেনবাড়ি সম্পদ বিভাগের লীগের ঠিকাদার জামাল হোসেনের সাথে আঁতাত করে গোপনে এমনভাবে প্রাক্কলন (স্টিমেট) তৈরি করা হয় যাতে অন্য কোনো ঠিকাদার অংশ নিতে না পারে। নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলামের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় তাঁর স্টাফ অফিসার শরিফুল ইসলাম এই কাজগুলো করছেন। তেজগাঁও এলেনবাড়ি গণপূর্ত সম্পদ বিভাগে এই অনিয়মের কারণে সাধারণ ঠিকাদারদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সূত্রে আরও জানা গেছে, ঢাকা তেজগাঁওয়ের এলেনবাড়ি এলাকায় অবস্থিত গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে সেই সকল অভিযোগ ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে। প্রধান প্রকৌশলীর নীরবতা এখন সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ।

অভিযোগ রয়েছে, সম্পদ বিভাগের নিবন্ধিত কিছু ঠিকাদার তাঁর দাবি করা ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সঠিক কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তারা কাজ পান না।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, ২০২৪-২৫২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিভিন্ন সরকারি বাসভবনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নামে প্রায় ৮ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাস্তবে অনেক কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না হলেও বিল উত্তোলন করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুশান্ত দত্ত। এ বিষয়ে সম্পদ বিভাগের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্টাফ অফিসার, সহকারী প্রকৌশলী ও অফিস সহকারী-কাম-এস্টিমেটরদের নাম উল্লেখ করে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে চলতি মাসে আহ্বান করা দুটি টেন্ডার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক ঠিকাদার।

তাদের অভিযোগ, টেন্ডারের শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে নির্দিষ্ট একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। বঞ্চিত ঠিকাদারদের দাবি, প্রায় ২৫ জন ঠিকাদার এ প্রক্রিয়া থেকে কার্যত বাদ পড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত ৪ মে যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে, সেখানে সুইমিং পুল মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া এলেনবাড়ি এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত ১ নং ও ২ নং ভবনের মেরামতের নামে প্রায় ৬০ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে শফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। ১ নং ভবনে বসবাসকারী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, গত দুই বছরে বিল্ডিংয়ে কোনো সংস্কার কাজ হয়নি।

অন্যদিকে ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত টেন্ডার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ করা হয়েছে, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পূর্বনির্ধারিতভাবে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মো. শফিকুল ইসলামের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মহল বলছে, অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভোল পাল্টে দুর্নীতির রাজত্ব

বিএনপির নেতার নাম ভাঙিয়ে গণপূর্তের শফিউলের ঘুষ বাণিজ্য!

আপডেট সময় : ১২:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

গণপূর্ত সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আস্থাভাজন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত পতিত লীগ সরকারের আমলে ৭ নং ওয়ার্ড তেজকুনিপাড়া ও তেজগাঁও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ‘মা এন্টারপ্রাইজ’ এর মালিক জামাল হোসেন এখন বহাল তবিয়তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গণপূর্ত সম্পদ বিভাগে।

তাঁর প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম।

সূত্রে জানা যায়, গণপূর্ত সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করার পর তাঁর নেতৃত্বে এক সুবিশাল সিন্ডিকেট বাহিনী গড়ে উঠেছে। লীগের দোসর কথিত ঠিকাদারদের সাথে গোপনে আঁতাত করে ত্রুটিপূর্ণ কাজ এবং কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে পরিচিত সহকারী প্রকৌশলী ও স্টাফ অফিসার শরিফুল ইসলাম এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুশান্ত দত্ত। এই তিন কর্মকর্তার নিকট সাধারণ ঠিকাদারগণ জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

পতিত সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা এই নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম এখনো বহাল তবিয়তে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর দেশের বাড়ি পাবনাতে হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দাপটে তিনি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন।

এখন আবার ভোল পাল্টে তিনি নিজেকে বিএনপি-পন্থী দাবি করছেন এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শিমুল বিশ্বাসের নাম ভাঙিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। রাজধানী ধানমন্ডিতে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট ক্রয় করে সেখানে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন।

এলেনবাড়ি সম্পদ বিভাগের লীগের ঠিকাদার জামাল হোসেনের সাথে আঁতাত করে গোপনে এমনভাবে প্রাক্কলন (স্টিমেট) তৈরি করা হয় যাতে অন্য কোনো ঠিকাদার অংশ নিতে না পারে। নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলামের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় তাঁর স্টাফ অফিসার শরিফুল ইসলাম এই কাজগুলো করছেন। তেজগাঁও এলেনবাড়ি গণপূর্ত সম্পদ বিভাগে এই অনিয়মের কারণে সাধারণ ঠিকাদারদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সূত্রে আরও জানা গেছে, ঢাকা তেজগাঁওয়ের এলেনবাড়ি এলাকায় অবস্থিত গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে সেই সকল অভিযোগ ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে। প্রধান প্রকৌশলীর নীরবতা এখন সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ।

অভিযোগ রয়েছে, সম্পদ বিভাগের নিবন্ধিত কিছু ঠিকাদার তাঁর দাবি করা ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সঠিক কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তারা কাজ পান না।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, ২০২৪-২৫২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিভিন্ন সরকারি বাসভবনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নামে প্রায় ৮ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাস্তবে অনেক কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না হলেও বিল উত্তোলন করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুশান্ত দত্ত। এ বিষয়ে সম্পদ বিভাগের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্টাফ অফিসার, সহকারী প্রকৌশলী ও অফিস সহকারী-কাম-এস্টিমেটরদের নাম উল্লেখ করে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে চলতি মাসে আহ্বান করা দুটি টেন্ডার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক ঠিকাদার।

তাদের অভিযোগ, টেন্ডারের শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে নির্দিষ্ট একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। বঞ্চিত ঠিকাদারদের দাবি, প্রায় ২৫ জন ঠিকাদার এ প্রক্রিয়া থেকে কার্যত বাদ পড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত ৪ মে যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে, সেখানে সুইমিং পুল মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া এলেনবাড়ি এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত ১ নং ও ২ নং ভবনের মেরামতের নামে প্রায় ৬০ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে শফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। ১ নং ভবনে বসবাসকারী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, গত দুই বছরে বিল্ডিংয়ে কোনো সংস্কার কাজ হয়নি।

অন্যদিকে ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত টেন্ডার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ করা হয়েছে, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পূর্বনির্ধারিতভাবে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মো. শফিকুল ইসলামের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মহল বলছে, অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।