০৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পদোন্নতিতে জালিয়াতি আর্থিক লেনদেন

পাকশী ভূমি অফিসের কানুন শরিফুলের খুঁটির জোর কোথায়

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ রেলওয়ের দুই অঞ্চল থেকে ১৩ জন কর্মকর্তাকে রত-বাদল করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। গত বছরের ১১ ডিসেম্বর জোন ট্রান্সফার আদেশ করেন বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আদেশে দেখা যায় পশ্চিমাঞ্চল রাজশাহী থেকে ছয়জনকে পূর্বাঞ্চল এবং চট্টগ্রাম থেকে ৭ জনকে পশ্চিমাঞ্চলে বদলি করা হয়।

বদলি আদেশ পাওয়ার পর প্রত্যেকে স্ব-স্ব দপ্তর থেকে ছাড়পত্র নিয়ে কর্মস্থলে যোগদান করেছে বলে বিভিন্ন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। সবাই কর্মস্থলে যোগদান করলেও পাকশী ঈশ্বরদী ১১ নং কাচারির কানুনগো শরিফুল ইসলাম কর্মস্থলে যোগদান করেনি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ভু-সম্পত্তি কর্মকর্তা। এস্টেট বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলছেন শরিফুলের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের বদলি আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে কর্মস্থলে যোগদান না করার অবস্থানে অনড়।ভূ-সম্পত্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন শরিফুলের খুঁটির জোর কোথায়।

রাজশাহী জিএম দপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছে শরিফুলের পেছনে অদৃশ্য কোন শক্তি কাজ করছে। লালমনিহাট ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা যায় গত ৯ জানুয়ারি লালমনিহাট ডিইওর দপ্তরের অফিস সহকারী জাবেরের নেতৃত্বে পদোন্নতি পাওয়া শরিফুল, হীরেন্দ্রনাথ এবং রাজিব ওই এলাকার কোন এক চায়ের দোকানে বসে জালিয়াতির মাধ্যমে পদোন্নতির বিরুদ্ধে কমিটি গঠন ঠেকাতে জাবেরের সাথে মিটিং করা হয়। বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র বলছে তাদের সাথে পরামর্শ করে জাবের ৯ জানুয়ারি রাতেই ঢাকায় ছুটে আসে তাদের শেল্টার দাতার দরবারে।

এর আগে ২০২৪ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি আমিন থেকে কানুনগো পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ শরিফুলকে ৮ নং কাচারি পার্বতীপুর বদলি করে পাকশীর সাবেক ডিইও আরিফুল ইসলাম। পার্বতীপুর জয়েন্ট করেই লিজ জালিয়াতি অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। জানা যায় পার্বতীপুর মধ্যপাড়া স্টেশন এলাকায় রেলওয়ের আট একর জমি ভোগ দখলকারির লাইসেন্স বিনা অপরাধে বাতিল করে অন্য এক ব্যক্তির নামে শরিফুলের সুপারিশে লিজ দেয পাকশীর সাবেক ডিইও আরিফুল ইসলাম। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একপক্ষ নিহত হয়। এই ঘটনায় দিনাজপুর ফুলবাড়িয়া থানা একটি মামলা দায়ের হয়। এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ বলেন আমি নতুন এসেছি তবে রেলওয়ের জমির বিরোধের ঘটনায় খানায় একটি মামলা রয়েছে। এরপর শরিফুলকে পার্বতীপুর থেকে একই বছরের ৩১ জুলাই বদলি করে আবার পাকশি নিয়ে আসে সাবেক ডিইও আরিফুল ইসলাম। যার অফিস আদেশ নং-৩৩৩। শরিফুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আশায় গত বছর ২৫ সেপ্টেম্বর তার বদলি আদেশ স্থগিত করে মন্ত্রণালয়। রেলওয়ে এই আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শরিফুল পার্বতীপুর কর্মস্থলে যোগদান না করে ঈশ্বরদীতেই বহাল থাকে। গত ১১ ডিসেম্বর ১৩ জনের বদলি আদেশ করে রেলপথ মন্ত্রণালয়। ছাড়পত্র নিয়ে সকলেই কর্মস্থলে যোগদান করে কিন্তু শরিফুল অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে চট্টগ্রাম যোগদান না করে কর্তৃপক্ষের ছুটি ছাড়া তার ক্ষমতা বলে নিজ দায়িত্বে ছুটি কাটাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে শরিফুল বাইক হাঁকিয়ে চুষে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। সে সুস্থ আছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন শরিফুলের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এত কিছু ঘটনা ঘটার পর কোন ক্ষমতা বলে মন্ত্রণালয়ের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে স্বপদে ব্যবহাল থাকে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ কঠোর হস্তে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে ২০২৪ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি আমিন থেকে কানুনগো পদে ২০২০ নীতিমালা লংঘন করে জালিয়াতির মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়া হয় তিনজনকে। শতকরা ২০ ভাগে পদোন্নতি পায় ৪ জন। জালিয়াতির মাধ্যমে সেখানে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে ৬ জন। পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন -হীরেন্দ্রনাথ সরকার,শরিফুল ইসলাম এবং আলিমুর রাজিব। এই পদোন্নতির সার্বিক সহযোগিতা করেন রাজশাহীর প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত প্রধান অফিস সহকারী। তিনি বর্তমানে পাকশী ভূমি অফিসের উচ্চমান সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালে তিনজনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন-শহীদুজ্জামান, মহসিন এবং ফোরকান। পরের তিনজনের পদোন্নতির ঘটনায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য গত বছর ডিসেম্বর পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক জিএমকে চিঠি দেন রেলওয়ে মহাপরিচালক। পাকশী ডিইওকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠনের চিঠি দেয় রাজশাহী জিএম ফরিদ আহমেদ। কমিটির আহবায়ক শফিকুল ইসলাম অপারগতা প্রকাশ করে গত ২৬ ডিসেম্বর জিএমকে চিঠি দেন ডিইও।
মহাব্যবস্থাপ জিএমের পক্ষে মহাপরিচালকের বরাবরে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দ্বারা কমিটি গঠনের সুপারিশ পত্র লিখার জন্য রাজশাহী সদরের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন গত চায় জানুয়ারি। ১৭ দিন পর গত ২১ জানুয়ারি বুধবার সেই চিঠি লেখা শেষ করে রাজশাহী প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কমিটি গঠনে অনীহা রাজশাহী সিইওর। বিলম্বের বিষয় রাজশাহীর জিএম ফরিদ আহমেদ বলেন সিইও নাদিম সারোয়ারকে যে কোন কাজের কথা বললে তিনি ভুলে যায়। শরিফুলের ছুটির বিষয় পাকশীর ডিইও শফিকুল ইসলাম বলেন, ছুটির দরখাস্ত দিয়েছিল আমি নামঞ্জুর করে তাকে কর্মস্থলে যোগদানের জন্য ছাড়পত্র প্রদান করেছি। শরিফুল তার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেছে।

রাজশাহীর জিএম এবং পাকশীর ডিইও বলেন,পার্বতীপুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার কথা আমরাও শুনেছি। এ কারণেই শরিফুল ৮ নং কাচারী পার্বতীপুর যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পদোন্নতিতে জালিয়াতি আর্থিক লেনদেন

পাকশী ভূমি অফিসের কানুন শরিফুলের খুঁটির জোর কোথায়

আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ের দুই অঞ্চল থেকে ১৩ জন কর্মকর্তাকে রত-বাদল করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। গত বছরের ১১ ডিসেম্বর জোন ট্রান্সফার আদেশ করেন বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আদেশে দেখা যায় পশ্চিমাঞ্চল রাজশাহী থেকে ছয়জনকে পূর্বাঞ্চল এবং চট্টগ্রাম থেকে ৭ জনকে পশ্চিমাঞ্চলে বদলি করা হয়।

বদলি আদেশ পাওয়ার পর প্রত্যেকে স্ব-স্ব দপ্তর থেকে ছাড়পত্র নিয়ে কর্মস্থলে যোগদান করেছে বলে বিভিন্ন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। সবাই কর্মস্থলে যোগদান করলেও পাকশী ঈশ্বরদী ১১ নং কাচারির কানুনগো শরিফুল ইসলাম কর্মস্থলে যোগদান করেনি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ভু-সম্পত্তি কর্মকর্তা। এস্টেট বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলছেন শরিফুলের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের বদলি আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে কর্মস্থলে যোগদান না করার অবস্থানে অনড়।ভূ-সম্পত্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন শরিফুলের খুঁটির জোর কোথায়।

রাজশাহী জিএম দপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছে শরিফুলের পেছনে অদৃশ্য কোন শক্তি কাজ করছে। লালমনিহাট ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা যায় গত ৯ জানুয়ারি লালমনিহাট ডিইওর দপ্তরের অফিস সহকারী জাবেরের নেতৃত্বে পদোন্নতি পাওয়া শরিফুল, হীরেন্দ্রনাথ এবং রাজিব ওই এলাকার কোন এক চায়ের দোকানে বসে জালিয়াতির মাধ্যমে পদোন্নতির বিরুদ্ধে কমিটি গঠন ঠেকাতে জাবেরের সাথে মিটিং করা হয়। বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র বলছে তাদের সাথে পরামর্শ করে জাবের ৯ জানুয়ারি রাতেই ঢাকায় ছুটে আসে তাদের শেল্টার দাতার দরবারে।

এর আগে ২০২৪ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি আমিন থেকে কানুনগো পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ শরিফুলকে ৮ নং কাচারি পার্বতীপুর বদলি করে পাকশীর সাবেক ডিইও আরিফুল ইসলাম। পার্বতীপুর জয়েন্ট করেই লিজ জালিয়াতি অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। জানা যায় পার্বতীপুর মধ্যপাড়া স্টেশন এলাকায় রেলওয়ের আট একর জমি ভোগ দখলকারির লাইসেন্স বিনা অপরাধে বাতিল করে অন্য এক ব্যক্তির নামে শরিফুলের সুপারিশে লিজ দেয পাকশীর সাবেক ডিইও আরিফুল ইসলাম। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একপক্ষ নিহত হয়। এই ঘটনায় দিনাজপুর ফুলবাড়িয়া থানা একটি মামলা দায়ের হয়। এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ বলেন আমি নতুন এসেছি তবে রেলওয়ের জমির বিরোধের ঘটনায় খানায় একটি মামলা রয়েছে। এরপর শরিফুলকে পার্বতীপুর থেকে একই বছরের ৩১ জুলাই বদলি করে আবার পাকশি নিয়ে আসে সাবেক ডিইও আরিফুল ইসলাম। যার অফিস আদেশ নং-৩৩৩। শরিফুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আশায় গত বছর ২৫ সেপ্টেম্বর তার বদলি আদেশ স্থগিত করে মন্ত্রণালয়। রেলওয়ে এই আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শরিফুল পার্বতীপুর কর্মস্থলে যোগদান না করে ঈশ্বরদীতেই বহাল থাকে। গত ১১ ডিসেম্বর ১৩ জনের বদলি আদেশ করে রেলপথ মন্ত্রণালয়। ছাড়পত্র নিয়ে সকলেই কর্মস্থলে যোগদান করে কিন্তু শরিফুল অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে চট্টগ্রাম যোগদান না করে কর্তৃপক্ষের ছুটি ছাড়া তার ক্ষমতা বলে নিজ দায়িত্বে ছুটি কাটাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে শরিফুল বাইক হাঁকিয়ে চুষে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। সে সুস্থ আছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন শরিফুলের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এত কিছু ঘটনা ঘটার পর কোন ক্ষমতা বলে মন্ত্রণালয়ের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে স্বপদে ব্যবহাল থাকে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ কঠোর হস্তে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে ২০২৪ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি আমিন থেকে কানুনগো পদে ২০২০ নীতিমালা লংঘন করে জালিয়াতির মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়া হয় তিনজনকে। শতকরা ২০ ভাগে পদোন্নতি পায় ৪ জন। জালিয়াতির মাধ্যমে সেখানে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে ৬ জন। পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন -হীরেন্দ্রনাথ সরকার,শরিফুল ইসলাম এবং আলিমুর রাজিব। এই পদোন্নতির সার্বিক সহযোগিতা করেন রাজশাহীর প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত প্রধান অফিস সহকারী। তিনি বর্তমানে পাকশী ভূমি অফিসের উচ্চমান সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালে তিনজনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন-শহীদুজ্জামান, মহসিন এবং ফোরকান। পরের তিনজনের পদোন্নতির ঘটনায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য গত বছর ডিসেম্বর পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক জিএমকে চিঠি দেন রেলওয়ে মহাপরিচালক। পাকশী ডিইওকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠনের চিঠি দেয় রাজশাহী জিএম ফরিদ আহমেদ। কমিটির আহবায়ক শফিকুল ইসলাম অপারগতা প্রকাশ করে গত ২৬ ডিসেম্বর জিএমকে চিঠি দেন ডিইও।
মহাব্যবস্থাপ জিএমের পক্ষে মহাপরিচালকের বরাবরে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দ্বারা কমিটি গঠনের সুপারিশ পত্র লিখার জন্য রাজশাহী সদরের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন গত চায় জানুয়ারি। ১৭ দিন পর গত ২১ জানুয়ারি বুধবার সেই চিঠি লেখা শেষ করে রাজশাহী প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কমিটি গঠনে অনীহা রাজশাহী সিইওর। বিলম্বের বিষয় রাজশাহীর জিএম ফরিদ আহমেদ বলেন সিইও নাদিম সারোয়ারকে যে কোন কাজের কথা বললে তিনি ভুলে যায়। শরিফুলের ছুটির বিষয় পাকশীর ডিইও শফিকুল ইসলাম বলেন, ছুটির দরখাস্ত দিয়েছিল আমি নামঞ্জুর করে তাকে কর্মস্থলে যোগদানের জন্য ছাড়পত্র প্রদান করেছি। শরিফুল তার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেছে।

রাজশাহীর জিএম এবং পাকশীর ডিইও বলেন,পার্বতীপুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার কথা আমরাও শুনেছি। এ কারণেই শরিফুল ৮ নং কাচারী পার্বতীপুর যায়নি।