০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এআই যুগের ভবিষ্যৎ দক্ষতা নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ইউনেট ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ আপস্কিল সামিট ২০২৬

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৭ জুলাই ২০২৬ ভার্চুয়ালি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইউনেট ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ আপস্কিল সামিট ২০২৬, সিজন ২। এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, উদ্যোক্তা, উন্নয়নকর্মী এবং পরিবর্তনের কারিগররা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশভিত্তিক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১০টি দেশের ২৫ জন বিশিষ্ট বক্তা ও মডারেটর অংশ নেন। পাশাপাশি, ১৫টিরও বেশি দেশ থেকে ১,০০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারী নিবন্ধন করেন, যা ভবিষ্যৎ দক্ষতা, প্রযুক্তি, শিক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং যুব উন্নয়ন নিয়ে বিশ্বব্যাপী তরুণদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রতিফলন।
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি ভবিষ্যৎমুখী বিষয় নিয়ে পৃথক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়গুলো ছিল এআই এবং কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ, উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সিং: এআই অর্থনীতিতে ব্যবসা গড়ে তোলা, উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ উপযোগী শিক্ষা, সামাজিক প্রভাব: ডিজিটাল যুগে পরিবর্তনে নেতৃত্ব এবং করপোরেট ক্যারিয়ার: এআই-নির্ভর কর্মক্ষেত্রে মানবিক দক্ষতা।

কী-নোট বক্তব্য এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে বক্তারা কর্মক্ষেত্রের পরিবর্তিত ধরন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সৃষ্ট সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ, উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, ডিজিটাল অর্থনীতিতে উদ্যোক্তা হওয়ার সম্ভাবনা, সামাজিক প্রভাব তৈরিতে প্রযুক্তির ভূমিকা এবং ক্রমবর্ধমান এআই-নির্ভর কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় মানবিক দক্ষতা নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

সম্মেলনের ইভেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে নেতৃত্ব দেন ইউনেটের প্রধান নির্বাহী ও সহ-প্রতিষ্ঠাত মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল এবং ইভেন্ট কনভেনর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইউনেটের সিওও ও সহ প্রতিষ্ঠাতাকো-ফাউন্ডার মাহির আসেফ। আয়োজক দল, কান্ট্রি অ্যাম্বাসেডর, পার্টনার, বক্তা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বৈচিত্র্যময় আন্তর্জাতিক কমিউনিটিকে একই ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা সম্ভব হয়।

সম্মেলনটির সফল আয়োজনে বিভিন্ন ইভেন্ট পার্টনার, আউটরিচ পার্টনার এবং আপস্কিলিং পার্টনার সহযোগিতা করে। তাদের সম্মিলিত অংশীদারত্ব বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির তরুণদের কাছে এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগটি পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইউনেট ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ আপস্কিল সামিট-এর মাধ্যমে ইউনেট এমন একটি সহজলভ্য ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, যেখানে তরুণরা অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কাছ থেকে শিখতে, ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে, দেশের সীমানা পেরিয়ে নিজেদের মধ্যে জ্ঞান ও ধারণা বিনিময় করতে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস ও জ্ঞান অর্জন করতে পারে।

সিজন ২-এর সফল সমাপ্তি শিক্ষা, সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ইউনেটের পথচলায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। একই সঙ্গে এই আয়োজন একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী বার্তাকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে, শেখার কোনো সীমানা নেই, আর ভবিষ্যৎ তাদেরই, যারা প্রতিনিয়ত শিখতে, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে এবং নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এআই যুগের ভবিষ্যৎ দক্ষতা নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ইউনেট ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ আপস্কিল সামিট ২০২৬

আপডেট সময় : ০৭:১৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৭ জুলাই ২০২৬ ভার্চুয়ালি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইউনেট ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ আপস্কিল সামিট ২০২৬, সিজন ২। এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, উদ্যোক্তা, উন্নয়নকর্মী এবং পরিবর্তনের কারিগররা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশভিত্তিক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১০টি দেশের ২৫ জন বিশিষ্ট বক্তা ও মডারেটর অংশ নেন। পাশাপাশি, ১৫টিরও বেশি দেশ থেকে ১,০০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারী নিবন্ধন করেন, যা ভবিষ্যৎ দক্ষতা, প্রযুক্তি, শিক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং যুব উন্নয়ন নিয়ে বিশ্বব্যাপী তরুণদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রতিফলন।
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি ভবিষ্যৎমুখী বিষয় নিয়ে পৃথক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়গুলো ছিল এআই এবং কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ, উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সিং: এআই অর্থনীতিতে ব্যবসা গড়ে তোলা, উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ উপযোগী শিক্ষা, সামাজিক প্রভাব: ডিজিটাল যুগে পরিবর্তনে নেতৃত্ব এবং করপোরেট ক্যারিয়ার: এআই-নির্ভর কর্মক্ষেত্রে মানবিক দক্ষতা।

কী-নোট বক্তব্য এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে বক্তারা কর্মক্ষেত্রের পরিবর্তিত ধরন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সৃষ্ট সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ, উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, ডিজিটাল অর্থনীতিতে উদ্যোক্তা হওয়ার সম্ভাবনা, সামাজিক প্রভাব তৈরিতে প্রযুক্তির ভূমিকা এবং ক্রমবর্ধমান এআই-নির্ভর কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় মানবিক দক্ষতা নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

সম্মেলনের ইভেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে নেতৃত্ব দেন ইউনেটের প্রধান নির্বাহী ও সহ-প্রতিষ্ঠাত মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল এবং ইভেন্ট কনভেনর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইউনেটের সিওও ও সহ প্রতিষ্ঠাতাকো-ফাউন্ডার মাহির আসেফ। আয়োজক দল, কান্ট্রি অ্যাম্বাসেডর, পার্টনার, বক্তা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বৈচিত্র্যময় আন্তর্জাতিক কমিউনিটিকে একই ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা সম্ভব হয়।

সম্মেলনটির সফল আয়োজনে বিভিন্ন ইভেন্ট পার্টনার, আউটরিচ পার্টনার এবং আপস্কিলিং পার্টনার সহযোগিতা করে। তাদের সম্মিলিত অংশীদারত্ব বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির তরুণদের কাছে এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগটি পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইউনেট ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ আপস্কিল সামিট-এর মাধ্যমে ইউনেট এমন একটি সহজলভ্য ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, যেখানে তরুণরা অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কাছ থেকে শিখতে, ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে, দেশের সীমানা পেরিয়ে নিজেদের মধ্যে জ্ঞান ও ধারণা বিনিময় করতে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস ও জ্ঞান অর্জন করতে পারে।

সিজন ২-এর সফল সমাপ্তি শিক্ষা, সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ইউনেটের পথচলায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। একই সঙ্গে এই আয়োজন একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী বার্তাকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে, শেখার কোনো সীমানা নেই, আর ভবিষ্যৎ তাদেরই, যারা প্রতিনিয়ত শিখতে, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে এবং নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।